শিরোনাম
জুমার মিম্বার থেকে বাবুনগরী : আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছেন, তবে ছেড়ে দেননি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের উদ্বেগ মসজিদ-মাদ্রাসা উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে মুফতি আজম আবদুচ্ছালাম চাটগামীর খোলা চিঠি রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হেফাজত আমীর আল্লামা বাবুনগরীর আহ্বান গ্রেফতার আতঙ্কে ঘর ছাড়া হাজারো আলেম, দুর্ভোগে পরিবার মসজিদ লক করার ইখতিয়ার কারো নেই : মুফতি সাখাওয়াত চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে রোজার অতুলনীয় উপকার, বিবিসির প্রতিবেদন পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে, কাল রোজা ইসলামাবাদীসহ গ্রেফতারকৃত হেফাজত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে : আমীরে হেফাজত  আল্লামা শফীর ইনতিকাল স্বাভাবিক, পিবিআইয়ের রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার : হেফাজত আমির
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
add

ইনুর মিথ্যাচার ন্যক্কারজনক! আমিরে হেফাজতের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না : হেফাজত

কওমি ভিশন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
add

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এর প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আজ সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে আজিজুল হক বলেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এদেশের তৌহিদি জনতার রাহবার ও আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি এদেশের হাজার হাজার আলেমের সম্মানিত ওস্তাদ। তাকে হয়রানি কিংবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করা হলে এদেশের লক্ষ লক্ষ তৌহিদি জনতা তা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তাণ্ডব চালায়নি; বরং ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তাণ্ডব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। হাসানুল হক ইনুসহ সরকারদলীয় ব্যক্তিবর্গ তদন্ত ছাড়াই হেফাজতের নামে অনবরত মিথ্যাচারপূর্বক হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা কোনো ধরনের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করি না। আমরা সংঘাত চাইনা, কিন্তু আমাদেরকে উসকানি দিয়ে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে এর পরিণতি সরকারের জন্য ভালো হবে না।

আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরো বলেন, হাসানুল হক ইনু পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়া ২১টি প্রাণের জন্য একটুও দুঃখপ্রকাশ করলেন না! পুলিশ কর্তৃক সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিচার চাইলেন না! শান্তিপূর্ণ হরতাল ও বিক্ষোভ মিছিলে কারা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতিকে সহিংস করে তুলেছিল? হেলমেট পরে চাপাতি ও রামদা হাতে কারা পুলিশের সহযোগী হিসেবে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারী মুসল্লিদের ওপর হামলে পড়েছিল? সেসবের ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখেছে সারা দেশের মানুষ। ২১ জন নিরীহ প্রতিবাদকারী নাগরিককে যারা শহিদ করেছে, তারাসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের একদিন বিচার করা হবে ইনশাআল্লাহ।

আজিজুল হক বলেন, এতগুলো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ফুটেজ থাকার কথা। সেগুলো প্রকাশ করলেই তো জানা যেত কারা তাণ্ডব চালিয়েছিল। কেন হামলাকালীন কোনো ভিডিও ফুটেজ বা ছবি প্রকাশ করা হচ্ছে না এখনো? কোনো তদন্ত ও প্রমাণ ছাড়াই আগেভাগে হেফাজতে ইসলামকে দায়ী করে অনবরত প্রোপাগান্ডা চালানো থেকেই বুঝা যায়, স্যাবোট্যাজ হিসেবে এসব তাণ্ডব ঘটিয়ে হেফাজতকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। বিরোধী পক্ষের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য স্যাবোট্যাজ ঘটাতে আমরা আগেও বহুবার দেখেছি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হাসানুল হক ইনু জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি। অথচ তিনি দলীয় আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে দীর্ঘসময় একটি বুর্জোয়া পুঁজিবাদী ফ্যাসিস্ট সরকারের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সংবাদমাধ্যমে আমরা জেনেছি, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী থাকাকালীন তিনি অঢেল অর্থসম্পদ বানিয়েছেন। এটাই কি সমাজতান্ত্রিক আদর্শের নমুনা! এছাড়া বঙ্গবন্ধু-হত্যার পর ট্যাংকের ওপর শার্ট খুলে যিনি নেচে নেচে উল্লাস করেছিলেন, আজকে তার মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বেমানান। এদেশে ভারতের স্বার্থরক্ষায় দালালির পুরস্কারস্বরূপ তিনি স্বৈরাচারী সরকারের মন্ত্রী হতে পেরেছিলেন।

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: