শিরোনাম
জুমার মিম্বার থেকে বাবুনগরী : আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছেন, তবে ছেড়ে দেননি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের উদ্বেগ মসজিদ-মাদ্রাসা উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে মুফতি আজম আবদুচ্ছালাম চাটগামীর খোলা চিঠি রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হেফাজত আমীর আল্লামা বাবুনগরীর আহ্বান গ্রেফতার আতঙ্কে ঘর ছাড়া হাজারো আলেম, দুর্ভোগে পরিবার মসজিদ লক করার ইখতিয়ার কারো নেই : মুফতি সাখাওয়াত চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে রোজার অতুলনীয় উপকার, বিবিসির প্রতিবেদন পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে, কাল রোজা ইসলামাবাদীসহ গ্রেফতারকৃত হেফাজত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে : আমীরে হেফাজত  আল্লামা শফীর ইনতিকাল স্বাভাবিক, পিবিআইয়ের রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার : হেফাজত আমির
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
add

একজন মুখলিস আলেমের ইন্তিকাল ও স্মৃতিময় কিছু কথা : মুফতি মুহাম্মদ ওসমান সাদেক

মুফতি মুহাম্মদ ওসমান সাদেক
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
add

চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলাধীন শাহনগরের আলোকিত মনীষী, উলামায়ে কওমীয়ার সেরেতাজ, মদুনাঘাট ইউনুছিয়া মাদরাসার শিক্ষাপরিচালক, বুযুর্গ আলেম দীন হযরত মাওলানা কাসেম সাহেব আপন রবের ডাকে চলে গেলেন। ফটিকছড়ির অন্তর্গত শাহনগরের কুতুব মরহুম মাওলানা কারী আব্দুল গফুর সাহেবের সুযোগ্য সন্তান, জামিয়া বাবুনগরের মুহতামিম হযরত মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ সাহেব দা.বা. -এর সুযোগ্য জামাতা মাওলানা কাসেম সাহেব ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সহজ সরল ও বড় পরহেজগার ব্যক্তি ছিলেন। মাথায় সব সময় সুন্নাতি পাগড়ি এবং সর্বদা মুচকি হাসির মিষ্টি ঝলক তাঁর মুখে প্রকাশ পেতো। জীবনে কাউকে কষ্ট দিয়েছেন বলে আমাদের জানা নেই। চলার সময় একটি পিপড়াও যেনো কষ্ট না পায় সেই মনোভাব নিয়ে তিনি হাঁটতেন। পবিত্র কুরআনে عبادالرحمن এর যে কয়টি গুণাবলির কথা বলা হয়েছে তৎমধ্যে অন্যতম হলো :

١/ الذين يمشون على الأرض هونا ٢/واذا خاطبهم الجاهلون قالوا سلاما ٢/ والذين يبيتون لربهم سجدا وقياما

হযরত মাওলানা কাসেম রাহিমাহুল্লাহ এসব কিছুর জীবন্ত নমুনা ছিলেন। তিনি যখন নামাযে দাঁড়াতেন খুব বিনয়ী হয়ে কিয়াম, রুকু, সুজুদ ধীরে সুস্থে আদায় করতেন। তাঁর খুশু-খুযু বিশিষ্ট নামায আমাদেরকে সাহাবাদের নামাযের কথা স্মরণ করিয়ে দিতো। চলা ফেরায়, উঠা বসায়, সব কিছুতে তিনি সুন্নাতের খুব পাবন্দ ছিলেন। বাবুনগরী খান্দানের বড় জামাতা ছিলেন আমার প্রিয় বাবা বিশিষ্ট লিখক ও অনুবাদক হযরত মাওলানা হাফেজ আবু জাফর সাদেক রাহিমাহুল্লাহ। এর পরেই ছিলেন মাওলানা কাসেম। বাবার সাথে তাঁর সুগভীর সম্পর্ক ছিলো। তিনি আমার বাবাকে “দুলাভাই” বলে সম্বোধন করতেন এবং খুব বেশি ইজ্জত করতেন। জমিয়তুল ফালাহর বড় কোন মাহফিলে গেলে তিনি বাবার সাথে সাক্ষাৎ করতেন। উভয়ের মাঝে হৃদ্যতার কথাগুলো তখন আমি শুনতাম। তিনি আপন সন্তানদেরকে আলেম হাফেজ বানিয়ে পরকালের জন্য সদকায়ে জারিয়ার ব্যবস্থা করে গেলেন। মেয়েদেরকেও যোগ্য আলেমের কাছে বিয়ে দিলেন। তাঁর বড় জামাতা হলেন শুলকবহর মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস , আমার প্রিয় বড়ভাই মুফতি ইউসুফ সাহেব حفظه الله । আহ্! আজ আমাদের প্রিয় খালু মাওলানা কাসেম সাহেব পরিবার পরিজনসহ সবাইকে শোক সাগরে ভাসিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মহান আল্লাহর কাছে বিনীত ফরিয়াদ তিনি যেনো মরহুমকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করেন। শোকাচ্ছন্ন পরিবারকে সবরে জামীল দান করুন। আমীন।


প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক : মারকাজুর রাশাদ, চট্টগ্রাম।

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: