শিরোনাম
ফটিকছড়িতে সংবর্ধিত আমিরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পদে আজ সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণ করবেন জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান দুলাল নাগার্নো-কারাবাখে আমরা পরাজিত হয়েছি: আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্ট আল আমিন সংস্থার তিনদিন ব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিল উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে ওলামা ঐক্য পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হেফাজতের কমিটি নিয়ে আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিবেদন ডাহামিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গাজার উত্তরাঞ্চলে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বিমান মুসলিম সভ্যতা বিরোধী মূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় মামুনুল হক ও চরমোনাই পীরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে চরমপন্থী মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ‘মহানবী সা. এর শানে বেআদবি রক্তের বিনিময়ে প্রতিহত করা হবে’: আল্লামা জুনায়দ বাবুনগরী  হাটহাজারী উপজেলাধীন মধ্য মাদার্শায় হেফাজত কর্মীদের উপর মাজারপন্থীদের পরিকল্পিত হামলা : আহত ৪
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
add

কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি : লাভবান কে?- আল্লামা মুফতী তাকী উসমানী

কওমি ভিশন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮
add

 
ইসলামি শাস্ত্রগুলোর শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে কওমি মাদ্রাসাগুলোর মান দেশের প্রথমসারির যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে ৷ দ্বীনী বিষয়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইসলামি অনুষদ থেকে এম.এ বা পি.এইচ.ডি ডিগ্রি অর্জনকারীদের সাথে কওমি মাদরাসা থেকে সমাপনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে তুলনাই হয় না ৷ তা সত্তেও দেশের সরকারি অঙ্গনসমূহে কওমি সনদের কোনো মূল্যায়নই ছিল না ৷ যার ফলে দেশের যেসব সরকারি পদে উলামায়ে কেরামের বিচরণের প্রয়োজন ছিল সে সব স্থানে কওমি মাদ্রাসা থেকে সমাপনকারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ন্যায়ানুগ কোনো সুযোগ ছিলো না ৷ কিন্তু মরহুম রাষ্ট্রপতি (জিয়াউল হক সাহেব) ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাষ্ট্রীয়ভাবে কওমি সনদকে মাস্টার্সের সমমান প্রদান করে শিক্ষাঙ্গন ও অন্যান্য পদসমূহে উলামায়ে কেরাম থেকে উপকৃত হওয়ার দুয়ার খুলে দিয়েছেন ৷
সম্প্রতি অনেকের মুখেই একটি কথা শুনা যাচ্ছে যে, “রাষ্ট্রপতি জিয়াউল হকের শাসনামলে উলামায়ে কেরামের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে ”৷ আমি মনে করি এমন উক্তি সঠিক নয়;কেননা বাস্তবিক অর্থে যাঁরা আলেম হয়েছেন, তারা কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাঁদের সম্মান প্রদর্শনের মুখাপেক্ষি নন। আল্লাহ তা’আলা নিজে যে ইলমে দ্বীনের যে সম্মান-মর্যাদা প্রদান করেছেন তা অন্য কারো সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদানের মুখাপেক্ষী নয় ।
আল্লাহ তা’আলা যাকে দ্বীনের প্রকৃতজ্ঞান দান করেছেন, তিনি কখনো জাগতিক মূল্যায়নের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেন না এবং সরকারি স্বীকৃতিতে বাস্তবিকপক্ষে তার সম্মান বৃদ্ধি হয়েছে বলে তিনি মনেও করেন না ৷
গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো যে, যে সব সরকারি পদে উলামায়ে কেরামের বিচরণের প্রয়োজন ছিল সে সব স্থানে উলামায়ে কেরামের উপস্থিতি ও রাষ্ট্রীয় খেদমত আঞ্জামের পন্থা খোঁজা হচ্ছিল ৷ কিন্তু পূর্ববর্তী কোন শাসনামলে উলামায়ে কেরামের রাষ্ট্রীয় খেদমতের কোন সুযোগ ছিল না বরং এসব পথ রূদ্ধ করার সর্বাত্মক অপচেষ্টাও করা হয়েছে ৷ কিন্তু মরহুম রাষ্ট্রপতি (জিয়াউল হক সাহেব) ব্যক্তিগত ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট পদসমূহে রাষ্ট্রকে উলামায়ে কেরাম থেকে উপকৃত হওয়ার প্রশংসনীয় চেষ্টা করেছেন ৷
(পাকিস্তানের সাবেক বিচারপতি মুফতী তাকী উসমানী দা.বা. লিখিত নুকূশে রফতেগাঁ গ্রন্থের ৩৫০-৩৫১ নং পৃষ্ঠা থেকে পাকিস্তানের কওমী মাদরাসাসমূহের সরকারি স্বীকৃতি প্রসঙ্গে লেখাটির বঙ্গানুবাদ করেছেন তাওহীদুল ইসলাম ৷)

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: