শিরোনাম
আরব-ইসরাইল সম্পর্কের প্রতিবাদে বাহরাইনে বিক্ষোভ চলছেই হাটহাজারীর ছাত্র বিক্ষোভের সমর্থনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশের ডাক দিলেন ভিপি নুর হাটহাজারিতে আবারো বিক্ষোভে ছাত্ররা, সব দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত মাঠ না ছাড়ার সিদ্ধান্ত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে হাটহাজারী মাদ্রাসার মাঠে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভকারীদের আনাস মাদানির বহিষ্কারসহ ৫ দফা দাবিতে উত্তাল হাটহাজারী মাদ্রাসা ইহুদিবাদী ইসরাইলের সাথে আরব দেশের সম্পর্ক ফিলিস্তিনি জনগণ মেনে নেবে না সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের বয়সে ৫ মাস ছাড় মুসলিম নির্যাতনের অভিযোগে চীন থেকে পণ্য আমদানি বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধির অঙ্গীকার পূণর্ব্যক্ত করলো তুরস্ক সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমেই কেবল ফিলিস্তিন মুক্ত হবে: হিজবুল্লাহ
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০২ অপরাহ্ন
add

বিশুদ্ধ কুরবানি; পথ ও পন্থা

কওমি ভিশন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
add

আবু জোবায়ের


“আপনার রবের জন্য নামাজ পড়ুন এবং কুরবানী করুন।” [সূরা কাউছার: ২] আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কুরবানীর আদেশ করেছেন। পূর্ববর্তী নবীদের সময়ও কুরবানীর প্রথা ছিল। উম্মাতে মুহাম্মাদীর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মদীনার জীবনে প্রতি বছর কুরবানী করেছেন এবং তাঁর প্রিয় সাহাবীদের কুরবানীর দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতা থেকে সারাবিশ্বের মুসলিমরা প্রতি বছর আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় কুরবানী করে।

মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম (আ.) কুরবানীর ক্ষেত্রে উত্তম ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গিয়েছেন। তাঁর প্রিয়পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানী করার অনন্য ঘটনাটি সবারই জানা। আল্লাহ তাআলা প্রেম ও সমর্পণের সেই অভাবিত ঘটনাকে চিরঅমর করার উদ্দেশ্যে যুগে যুগে আগত (ইবরাহীমী পরিবারের সদস্য) সকল মুসলিমদের জন্য কুরবানীর বিধান নাজিল করেন।

প্রতিবছর ঈদুল আজহায় এই মহান কুরবানীরই পুনরাবৃত্তি ঘটে। আদেশ পালন ও নিঃশব্দ আত্মসমর্পণের কুরবানী আল্লাহ তাআলার অনেক প্রিয় আমল এবং তাঁর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম।

“কুরবানীর দিন পশু কুরবানীর চেয়ে আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় আর কোন আমল নেই। কেয়ামতের দিন জবাই করা পশুকে তার শিং ও খুরসহ হাজির করা হবে। কুরবানীর পশুর রক্ত জমিনে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং তোমরা খোলা মনে এবং সন্তুষ্ট চিত্তে কুরবানি কর।” [তিরমিজি শরীফ : ১৪৯৩]

কুরবানীর ক্ষেত্রে ইবরাহীম (আ.)-এর মতো হৃদয়ে ত্যাগ, সমর্পণ ও খোদাপ্রেমের মহিমা না থাকলে বাহ্যিক পশু জবাই কোন কাজে আসবে না।

“আল্লাহর কাছে (কুরবানীর পশুর) গোশত ও রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের অন্তরের তাকওয়া পৌঁছে থাকে।” [সূরা হজ: আয়াত, ৩৭]

অনেকের কুরবানীর নেসাব পরিমাণ সম্পদ আছে। কিন্তু তাদের হৃদয়ে আল্লাহ তাআলার ভয় ও ভালবাসা নেই। তারা কুরবানীর বিধানকে আর্থিক ক্ষতির কারণ ভেবে নিজেদের উপর জুলুম মনে করে। এ ধরণের লোকদের জন্য ঈদের আনন্দে কোন অংশ নেই।

‘যার কুরবানীর সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে। [মুস্তাদরাকে হাকেম: ৩৫১৯; আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫]

সুতরাং কুরবানী একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত। আর ইবাদতের মূলকথা হল আল্লাহ তাআলার আনুগত্য এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন। তাই একটি ইবাদত হিসেবে কুরবানীর পূর্ণতার জন্য দুটি বিষয় জরুরি। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পালন করা এবং শরীয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পাদন করা। এ উদ্দেশ্যে এখানে কুরবানীর কিছু জরুরি মাসায়েল উল্লেখ করা হল:

কাদের উপর কুরবানী ওয়াজিব?
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক— এমন প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষ, যে যিলহজ্বের ১০ তারিখের ফজর থেকে ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কুরবানীর নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।

কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি ঋণের টাকা দিয়ে কুরবানী করলে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে কুরবানী করা যাবে না।

নাবালেগের উপর কুরবানী ওয়াজিব নয় এবং তার পক্ষ থেকে কুরবানী দেওয়া অভিভাবকের উপর ওয়াজিব নয়; বরং মুস্তাহাব। [রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১৫; ফাতাওয়া কাযীখান: ৩/৩৪৫]

দরিদ্র ব্যক্তির উপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়; কিন্তু সে যদি কুরবানীর নিয়তে কোনো পশু কিনে, তাহলে তা কুরবানীর জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। [বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯২]

কুরবানীর নেসাবভুক্ত জিনিস
টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

জিনিসভেদে নেসাবের পরিমাণ–

• স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি।
• রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি।
• টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে সেগুলোর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া।
• স্বর্ণ বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। [আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫]

উল্লেখ্য যে, কুরবানীর নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কুরবানীর তিন দিনের মধ্যে যে কোনো দিন থাকলেই কুরবানী ওয়াজিব হবে। [বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১২]

কোন কোন পশু কুরবানীযোগ্য?
উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা– এসব পশুর নর-মাদা দুটোই কুরবানী করা জায়েয। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু যেমন হরিণ, বন্যগরু ইত্যাদি দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়। [কাযীখান: ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৫]

কুরবানীর পশুর বয়সসীমা
“কুরবানীর পশু হৃষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম।” [মুসনাদে আহমদ: ৬/১৩৬]

• উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে।
• গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে।
• ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে।

তবে ভেড়া ও দুম্বা (কিন্তু ছাগল নয়) যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়সের হতে হবে।  [কাযীখান: ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৬]

যদি বিক্রেতা কুরবানীর পশুর বয়স পূর্ণ হয়েছে বলে স্বীকার করে আর পশুর শরীরের অবস্থা দেখেও তাই মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার কথার উপর নির্ভর করে পশু কেনা এবং তা দ্বারা কুরবানী করা যাবে। [আহকামে ঈদুল আযহা, মুফতী মুহাম্মাদ শফী (রহ.)]

পশুর যেসব সমস্যায় কুরবানী হবে না
১. যে পশুর দুটি চোখই অন্ধ বা এক চোখ পুরো নষ্ট।
২. যে পশু তিন পায়ে চলে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা ভর করতে পারে না।
৩. এমন শুকনো দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না।
৪. যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশি দাঁত পড়ে গেছে যে, ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না।
৫. যে পশুর লেজ বা কোনো কান অর্ধেক বা তারও বেশি কেটে গিয়েছে।
৬. এমন পাগল পশু, যে ঘাস পানি দিলে খায় না এবং মাঠেও চরে না।
৭. যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে এবং সে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙ্গে গেছে বা শিং একেবারে উঠেইনি, সে পশু কুরবানী করা জায়েয।

উল্লেখ্য যে, কুরবানীর পশু ভালো অবস্থায় কেনার পর যদি তাতে এমন কোনো দোষ দেখা দেয় যে কারণে কুরবানী জায়েয হয় না, তাহলে ওই পশুর কুরবানী সহীহ হবে না। এর স্থলে আরেকটি পশু কুরবানী করতে হবে। তবে ক্রেতা গরীব হলে ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারাই কুরবানী করতে পারবে। [বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২১৬, ফাতাওয়া নাওয়াযেল: ২৩৯, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩২৫]

শরীকানা কুরবানী ও সতর্কতা
একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা দ্বারা শুধু একজনই কুরবানী দিতে পারবে। আর উট, গরু, মহিষ সাত ভাগে এবং তার থেকে কমে যেকোনো সংখ্যা যেমন- দুই, তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কুরবানী করা জায়েয। সাতের অধিক শরীক হলে কারো কুরবানী সহীহ হবে না।

সাতজনে মিলে কুরবানী করলে সবার অংশ সমান হতে হবে। কারো অংশ এক সপ্তমাংশের কম হতে পারবে না। যেমন কারো আধা ভাগ, কারো দেড় ভাগ। এমন হলে কোনো শরীকের কুরবানীই সহীহ হবে না।

কুরবানীর গরু, মহিষ ও উটে আকীকার নিয়তে শরীক হতে পারবে। এতে কুরবানী ও আকীকা দুটোই সহীহ হবে।

সতর্কতার বিষয় হলো– শরীকদের মধ্যে যদি কেউ আল্লাহ তাআলার হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে কুরবানী না করে শুধু গোশত খাওয়ার নিয়তে অথবা লোক দেখানোর নিয়তে কুরবানী করে, কিংবা কারো পুরো বা অধিকাংশ উপার্জন যদি হারাম হয়, তাহলে সেসহ বাকী শরীকদের কারোই কুরবানী সহীহ হবে না। [রদ্দুল মুহতার ৬/৩৬২, কাযীখান: ৩/৩৪৯, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৭-২০৮]

কুরবানীর পশুর জবাই:
কুরবানীর পশু নিজে জবাই করা উত্তম। নিজে না পারলে অন্যকে দিয়েও জবাই করাতে পারবে। এক্ষেত্রে সে পুরুষ হলে জবাইস্থলে তার উপস্থিত থাকা ভালো।

অনেক সময় একজন জবাই সম্পন্ন করতে পারে না, তখন অন্য কেউ জবাই সম্পন্ন করে থাকে। এক্ষেত্রে অবশ্যই উভয়কেই নিজ নিজ যবাইয়ের আগে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ পড়তে হবে। [বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২২২-২২৩, আলমগীরী’ ৫/৩০০, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩৩৪]

কুরবানীর পারিশ্রমিক প্রদান:
কুরবানী পশু জবাই করে পারিশ্রমিক দেওয়া-নেওয়া জায়েয। তবে জবাইকারী, কসাই বা কাজে সহযোগিতাকারীকে চামড়া, গোশত বা কুরবানীর পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েয হবে না। অবশ্য পূর্ণ পারিশ্রমিক দেওয়ার পর পূর্বচুক্তি ছাড়া হাদিয়া হিসাবে গোশত বা তরকারী দেওয়া যাবে।

কুরবানীর গোশত বন্টন:
ঈদুল আযহার দিন সকাল থেকে কিছু না খেয়ে প্রথমে কুরবানীর গোশত দিয়ে খাওয়া শুরু করা সুন্নত।

শরীকে কুরবানী করলে ওজন করে গোশত বণ্টন করতে হবে। অনুমান করে ভাগ করা জায়েয নয়।

কুরবানীর গোশতের এক তৃতীয়াংশ গরীব-মিসকীনকে এবং এক তৃতীয়াংশ আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীকে দেওয়া উত্তম। অবশ্য পুরো গোশত যদি নিজে রেখে দেয় এবং তিনদিনেরও অধিক জমিয়ে রাখে তাতেও কোনো অসুবিধা নেই।

কুরবানীর গোশত প্রতিবেশী হিন্দু ও অন্য ধর্মাবলম্বীকে দেওয়া জায়েয। [আদ্দুররুল মুখতার: ৬/৩১৭, কাযীখান: ৩/৩৫১, আলমগীরী: ৫/৩০০]

কুরবানীর পশুর চামড়া
কুরবানীর পশুর চামড়া কুরবানীদাতা নিজেও ব্যবহার করতে পারবে। তবে কেউ যদি নিজে ব্যবহার না করে বিক্রি করে, তবে বিক্রিলব্ধ মূল্য পুরোটা সদকা করা জরুরি। [ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩০১]

আমাদের কুরবানী হোক– ইবরাহীম (আ.)-এর মতো শুধুমাত্র আল্লাহর প্রেম, সমর্পণ ও সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে। হারাম কামাই ও লোকদেখানো মানসিকতা আমাদেরকে যেন এই প্রেমের পরীক্ষায় অকৃতকার্য না করে দেয়। সহীহ নিয়ত, একটু প্রচেষ্টা ও অনেক সতর্কতার মিশেলে আমাদের কুরবানীগুলো ইতিহাসের
সেই অভাবিত ঘটনার উজ্জ্বল নমুনা ও পুনরাবৃত্তি হয়ে উঠুক– এই প্রার্থনা।

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: