শিরোনাম
জুমার মিম্বার থেকে বাবুনগরী : আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছেন, তবে ছেড়ে দেননি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের উদ্বেগ মসজিদ-মাদ্রাসা উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে মুফতি আজম আবদুচ্ছালাম চাটগামীর খোলা চিঠি রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হেফাজত আমীর আল্লামা বাবুনগরীর আহ্বান গ্রেফতার আতঙ্কে ঘর ছাড়া হাজারো আলেম, দুর্ভোগে পরিবার মসজিদ লক করার ইখতিয়ার কারো নেই : মুফতি সাখাওয়াত চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে রোজার অতুলনীয় উপকার, বিবিসির প্রতিবেদন পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে, কাল রোজা ইসলামাবাদীসহ গ্রেফতারকৃত হেফাজত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে : আমীরে হেফাজত  আল্লামা শফীর ইনতিকাল স্বাভাবিক, পিবিআইয়ের রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার : হেফাজত আমির
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
add

সময়ের শ্রেষ্ঠ নেতা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

কওমি ভিশন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
add

আবু জোবায়ের


আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হেফাজতের কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে আমির নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর আমির হওয়াটা সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র। তিনি এ পদে আলেম-উলামা ও তৌহিদী জনতার সমর্থনের ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।

আল্লামা বাবুনগরী নানা সংকট ও বৈরিতাকে মোকাবেলা করা পরিক্ষিত একজন নেতা, সংগঠক। তিনি অন্যদের মতো সাধারণ নেতা নন, অবিসংবাদিত নেতা। ব্যক্তিত্ব, দক্ষতা ও ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে তিনি এদেশের মুসলমানদের প্রধান অভিভাবক হয়ে ওঠেছেন, স্থান পেয়েছেন দলমত নির্বিশেষে সবার মনের মনিকোঠায়। কঠিন পরিস্থিতিতেও তাঁর অসীম মনোবল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে বিশ্ববাসীর কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন একজন সত্যনিষ্ঠ, আপোষহীন মহান নেতা হিসেবে।

একজন নেতা হিসেবে স্বার্থহীনতা তাঁর বড় গুণ। তিনি কখনোই নিজের স্বার্থচিন্তা করে চলেননি। সবসময় থেকেছেন স্বার্থের অনেক ঊর্ধ্বে। তাঁর সকল সিদ্ধান্ত, কাজকর্ম ও উদ্দেশ্য হেফাজতে ইসলামের  অগ্রসরতা ও মুসলমানদের বিজয়ের জন্যে। আল্লামা বাবুনগরী ২০১৩ সালে নাস্তিক-মুরতাদ বিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের জন্য  জেলে গিয়েছেন,রক্ত দিয়েছেন, রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করেছেন। হেফাজতের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এখনো হেফাজতের জন্য তিনিই সবচেয়ে বেশি ভাবেন। হেফাজত নিয়ে চিন্তা ও কাজ উভয় ক্ষেত্রেই অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলছেন।

সাহসী, সত্যবাদী ও ধৈর্যশীল হিসেবেও তিনি নিজের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন। কে কী ভাববে এবং কে কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে, এই চিন্তা মুছে ফেলে তিনি সবসময়ই সত্যবাদী। প্রশ্নবিদ্ধ শোকরিয়া মাহফিলে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সামরিক সচিব বলেছিলেন, ৫ ই মে শাপলা চত্বরে কেউ মারা যায়নি, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি ইত্যাদি। তখন উপস্থিত কেউ-ই এই সুস্পষ্ট মিথ্যার প্রতিবাদ করার সাহস করেননি। আল্লামা বাবুনগরী নানামুখী চাপ থাকা সত্ত্বেও শোকরিয়া মাহফিলে যাননি। তিনি সামরিক সচিবের সেই বক্তব্য সম্পর্কে অবগত হয়েই সাথে সাথে পত্রিকায় বিবৃতি প্রেরণ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন,“শাপলা চত্বরে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি সামরিক সচিবের এ কথা নির্জলা মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই নয়। শাপলার শহীদদের প্রতি এটি চরম অন্যায় ও ধৃষ্টতা।”

আল্লামা বাবুনগরীর রয়েছে বিপদে ধৈর্য ধারণের দৃঢ় মানসিক শক্তি। আনন্দ-বেদনা সবকিছুর মধ্যে তিনি থাকেন তাঁর দায়িত্বে অটল। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কখনো পিছপা হননি। তবে তিনি কখনো তাঁর অনুসারীদের বিপদের মুখেও ফেলেননি। কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁর অনুসারীদের জন্য সেটা নিরাপদ কিনা, সেই চিন্তাটিও মাথায় রাখেন সর্বদা।

আল্লামা বাবুনগরী শাপলা চত্বরে ৫ ই মে’র ভয়াল রাতে মঞ্চেই ছিলেন। সরে যেতে বলা হলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, “এই লক্ষ-লক্ষ নবীপ্রেমিকদের রেখে আমি কোথাও যেতে পারিনা, যাবো না। মৃত্যু হলেও নবীপ্রেমিকদের সাথে আমি এখানে আছি, থাকবো।” তিনি নিজ কর্মীদের মৃত্যুমুখে ফেলে নিজের কথা ভাবেননি। সে রাতের ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে অন্যরা যখন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত তখন আল্লামা বাবুনগরী কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করতে ওজু করে পবিত্র হয়েছেন। প্রস্তুতি নিয়েছেন শাহাদাত বরণের জন্যে।

৬ ই মে’র পর হেফাজতের স্থবিরতাকালীন সময়েও তিনি বিবৃতি কিংবা ওয়াজ মাহফিলে ইসলাম-মুসলমানের স্বার্থে আঘাত হানে এমন বিষয়গুলোর জোর প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। যারফলে বিভিন্নভাবে তাঁকে কষ্ট পেতে হয়েছে। কিন্তু তবুও তিনি নববি আদর্শে অবিচল ছিলেন। লোভ ও ক্ষমতার মোহ তাকে আদর্শিক জায়গা থেকে সামান্যতম হেলাতে পারেনি।

সংগঠক হিসেবে তিনি যে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন, এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো, তাঁর মনে অহমিকার লেশমাত্রও নেই। সবার সাথে তাঁর সুন্দর সুসম্পর্ক। সবার মতামতের সমষ্টিকেই প্রাধান্য দেন। শুধু নিজের মতামতকে শ্রেষ্ঠ বলে সবার ওপরে চাপিয়ে দেন না। যেটা সংগঠনের জন্য ভালো, সেটাই তিনি গ্রহণ করেন।

একটি সংগঠন হিসেবে হেফাজতের কার্য সম্পাদন বা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য আল্লামা বাবুনগরী যে দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছেন তা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। চারদিকে জনপ্রিয় এ আন্দোলনের ব্যর্থতার কথা প্রচার হলেও এখন প্রমাণ হয়ে গেছে, আল্লামা বাবুনগরীর যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে হেফাজত সাময়িক সময়ের জন্য নিরব থাকলেও একেবারেই নিষ্ক্রিয় ও ভেঙে পড়েনি। সঠিক সময়ে পুনরায় জেগে ওঠেছে।

আদর্শ সংগঠক হিসেবে আল্লামা বাবুনগরীর কিছু গুণাবলী
• কষ্ট সহিষ্ণুতা
• কঠোর পরিশ্রমী
• অদম্য সাহসিকতা
• উদারতা, বিচক্ষণতা
• প্রশ্নমুক্ত দায়িত্ব পালন
• দূরদর্শিতা, সূক্ষ্ম জ্ঞানের অধিকারী
• নিরপেক্ষ রাজনৈতিক অবস্থান
• ত্বরিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা
• আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরশীলতা
• সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণে পারদর্শিতা

আল্লামা বাবুনগরী একজন আদর্শ নেতা হিসেবে শুধুমাত্র ধর্মীয় জ্ঞানেই পারদর্শী নন; বরং জ্ঞানের সকল দিক সম্পর্কেই তিনি সম্যক জানাশোনা রাখেন। বিরোধী মতবাদগুলোর বক্তব্য সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকেন এবং তাদের প্রশ্নের দলিল ভিত্তিক যুক্তিপুর্ণ ও সন্তোষজনক জবাব দেবার সক্ষমতা রাখেন। এছাড়া তিনি একজন সুসাহিত্যিক মানুষ এবং সমসাময়িক কোন পরিস্থিতিই তাঁর উড়ন্ত দৃষ্টির আড়ালে থাকে না।

তিনি উন্নত চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে আদর্শের মূর্তপ্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর নিয়ত পরিশুদ্ধ। মোয়ামেলা সুন্দর। জীবন যাপন নেফাকমুক্ত নির্লোভ ও সহজ-সরল। নববী আদর্শের পূর্ণ প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে তিনি নিজের ব্যক্তিত্বকে সকলের প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নিয়ে গিয়েছেন। ভক্ত, অনুসারীসহ সব শ্রেণীর মুসলমানদের কাছে তিনি অমুসরনীয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আকাবির-আসলাফের বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

তিনি কঠিন পরিস্থিতিকেও স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেন। জীবনের দীর্ঘ একটি সময় তাঁর পার হয়েছে ভীতিকর অবস্থা, জীবনের হুমকি, মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচারের সম্মুখীন হওয়ার মধ্য দিয়ে। শুধুমাত্র আদর্শগত বিরোধের কারণেও তাকে জালিমের রোষানলের শিকার হতে হয়েছে। নিজের ওপর বিভিন্ন সময়ে নেমে আসা পাহাড়সম জুলুম-নিপীড়ন ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল ছিলেন, আছেন।

হেফাজতের দুঃসময়ে অনেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে কিংবা গোপনে বিরোধীশক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলে নিজেদেরকে বিপদমুক্ত রেখেছে; কিন্তু একমাত্র আল্লামা বাবুনগরীই সে সময়ের দুঃখ কষ্ট, বিপদাপদ ও জুলুম নিপীড়নকে পরোয়া করেননি। মহান আল্লাহ বলেন, তারপর যখন তোমাদের ওপর কোন কঠিন সময় আসে তখন তোমরা ফরিয়াদ নিয়ে তাঁরই দিকে দৌড়াও।” (সূরা নাহল: ৫৩)

বর্তমান সময়ে সুযোগসন্ধানীদের জন্য হাইব্রিড নেতা বনে যাওয়া সহজ; কিন্তু প্রাজ্ঞ, যোগ্য, নীতিবান, আপোষহীন নেতা হওয়া সত্যিই কঠিন। আল্লামা বাবুনগরী বিভিন্নমুখী যোগ্যতা, ত্যাগ ও অবদানের কারণেই এদেশের ধর্মীয় অঙ্গনের শীর্ষ জনপ্রিয় নেতার আসনে উন্নীত হয়েছেন। তিনি হেফাজতকে লক্ষ্যপথে অবিচল রেখেছেন, কর্মী-অনুসারীদের প্রাণবন্ত রেখেছেন। শত্রুদের শত বাধা-বিপত্তি হেফাজতের গতি কিছু সময়ের জন্য মন্থর করতে পারলেও থামিয়ে দিতে পারেনি। আল্লামা বাবুনগরী পাহাড়সম দৃঢ়তা নিয়ে হেফাজতকে আগলে রেখেছেন। হেফাজতের কার্যক্রমকে চলমান রেখেছেন।

অতি সাম্প্রতিক সময়ে নবীজী সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে ফ্রান্সের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা সবাইকে বিস্মিত ও হতবাক করেছে। গুটিকয়েক বাম যারা এতদিন বলেছিল— ৬ মে’র পর হেফাজত লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে, হেফাজতকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে কিংবা আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর মৃত্যুর পর হেফাজত আর কখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না, হেফাজতের এই দ্বিতীয় উত্থান তাদের গালে চপেটাঘাত করেছে। আল্লামা বাবুনগরীর আহ্বানে নবীপ্রেমিক তৌহিদী জনতার যে বিশাল জনসমুদ্র তৈরি হয়েছিল, তা সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

হেফাজত বিদ্বেষীরা এই বাস্তবতা থেকে চোখ সরিয়ে রেখেছিল যে, ৬ মে’র পর থেকে ধীরে ধীরে আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ‘হেফাজত মানেই আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী’ এটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। কারণ, শাপলা চত্বরের ট্রাজেডির পর থেকে আল্লামা বাবুনগরী হেফাজতের শিরোনামে প্রাণপন লড়ে চলেছেন। মাহফিলে-ময়দানে বাতিলের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী কণ্ঠস্বর সামান্য সময়ের জন্যও স্তব্ধ হয়নি। সম-সাময়িক নানা প্রেক্ষাপটে তিনিই নিয়মিত বিবৃতি দিয়ে মুসলিম উম্মাহকে সাহস যুগিয়েছেন, পথ দেখিয়েছেন। এদেশে অনলাইন ও অফলাইনে হেফাজতের নাম ও প্রভাবকে তিনিই বাকি রেখেছেন।

যে কারণে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নবীজী সা. এর অবমাননার প্রতিবাদে যখনই আল্লামা বাবুনগরী তাঁর সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ফ্রান্সের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, তখনই আলেম সমাজ ও তৌহিদী জনতা সেটাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাতে অংশগ্রহণ করেছে। ৬ মে’র পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও হেফাজতের এই উত্থান প্রমাণ করেছে— তৌহিদী জনতার হৃদয়ে হেফাজত আগের মতই রাজকীয় অবস্থানে রয়েছে। আল্লামা বাবুনগরীর আপোষহীন সংগ্রাম ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বদান বর্তমানে হেফাজতকে পূর্বের যেকোন সময়ের চেয়ে সুসংহত ও সুসংগঠিত করেছে।

আল্লামা বাবুনগরীর প্রতি আলেম-উলামা ও তৌহিদী জনতার পূর্ণ সমর্থন সত্ত্বেও সবর আর ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে তিনি এতদিন নিরবে জুলুম, নির্যাতন সয়ে গেছেন। কিন্তু এখন জুলুমবাজদের পতন ঘটেছে। আল্লামা বাবুনগরীর নেতৃত্বে হেফাজত আবার স্বরুপে ফিরেছে। আগামী দিনেও হেফাজত তাঁর নেতৃত্বে স্বীয় লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের পথে অবিচল থাকবে, বাতিল শক্তির সাথে আপোষ করবে না এবং ইসলামের পক্ষে লড়াইয়ে কারো রক্তচক্ষুর পরোয়া করবে না— আল্লামা বাবুনগরীর কাছে দেশের লক্ষ কোটি তৌহিদী জনতার এটাই আশা, এটাই প্রত্যাশা।

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: