শিরোনাম
সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলো হিজামা হেল্পলাইন কর্তৃক আয়োজিত ফায়ার কাপিং কর্মশালা মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি কুচক্রি মহল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে মাদরাসায় হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে : আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী  ফটিকছড়িতে কওমি মাদ্রাসায় মাজারপন্থীদের সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদি হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত পুলিশকে গুণ্ডা ও মাস্তানের ভূমিকায় দেখতে চাই না, এসপিকে বরখাস্ত করুন : ইসলামাবাদী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে হেফাজত ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলন টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজত আল্লামা শফীর মৃত্যুকে ইস্যু করে বরেণ্য আলেমদের বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দা জানিয়ে শীর্ষ ২৮ উলামা-মাশায়েখের বিবৃতি দেশের বিশিষ্টজনদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বললেন ইসি শাহাদাত
মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ০১:২৮ অপরাহ্ন
add

স্কুল বন্ধকালীন সুযোগ কাজে লাগাতে ধর্মীয় সঠিক শিক্ষা অর্জনে আপনার সন্তানকে মাদ্রাসায় দিন

ওবাইদুল্লাহ ওবাইদ
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
add

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিগত মার্চ মাস থেকে দেশের প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সরকারি বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান একযোগে বন্ধ করা হয়। গত এক দেড় মাস হতে দেশে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি উঠে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে দেশের কওমি মাদ্রাসাসমূহের নতুন শিক্ষাবর্ষ রমজান পরবর্তী শুরু হওয়ার কারণে এ অঙ্গনে দাবিটি জোরদার হতে থাকে। ছাত্রদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কওমি মাদ্রাসাসমূহ খুলে দেয়া জরুরি হয়ে পড়ে।

বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে বোর্ডসমূহ ও সরকারের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে অবশেষে কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়া হয়। বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছানো হলেও এখন পর্যন্ত খোলা হয়নি দেশের স্কুল কলেজসহ সরকারি মাদ্রাসা। ফলে লম্বা একটি সময় অবসর কাটাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা।

বাংলাদেশের ৯০ % মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী ধর্মের জ্ঞান প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর অর্জন করা আবশ্যক। কিন্তু স্কুল কলেজে পর্যাপ্ত ধর্মীয় শিক্ষা না থাকা এবং সেখানে নিয়মিত ক্লাস চলার ফলে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবে কেউ কেউ প্রাইভেট বা টিউশনের মাধ্যমে স্বল্প পরিসরে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জান করে থাকেন।

এখনও পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনা না আসার কারণে স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে। এ বন্ধকালীন সময়টা অহেতুক নষ্ট না করে দীনি জ্ঞান অর্জনের জন্য সন্তানদের মাদ্রাসায় খণ্ডকালীন ক্লাস করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্কুল কলেজ খোলার পর তারা পুনরায় নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে পারবে। এ সুবর্ণ সুযোগ ও সময়টা কাজে লাগাতে পারাটা অত্যান্ত বুদ্ধিমানের কাজ।

ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন কেন জরুরি? প্রথম কথা হচ্ছে একজন মুসলিম হিসেবে ইসলাম ধর্মের যাবতীয় বিধিবিধান মেনের চলার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করাটা জরুরি। এটা ইসলাম ধর্মই প্রত্যেক মুসলিমের উপর কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে সর্বসাধারণে ধর্মীয় শিক্ষা না থাকার ফলে নৈতিকতার যে পতন ঘটছে তা আগামীর জন্য সত্যি আশঙ্কাজনক। নৈতিক শিক্ষা না থাকার কারণে সমাজে বিভিন্ন প্রকার অপরাধ বেড়ে গিয়েছে। একজন অপরজনের অধিকার হরণ করা যেন প্রতিদিনকার ঘটনা। উৎসবের সাথে অপরাধ কর্মকাণ্ডে যোগ দিচ্ছে সবাই। শক্তির পূজা দুর্বলের উপর জুলুম এসব বেড়েছে মাত্রাতিরিক্ত হারে।

পারিবারিক জীবন ও ব্যক্তি জীবনের অশান্তি তো রয়েছেই। এসব অশান্তির মূল ধর্মীয় জ্ঞান শূন্যতা। ব্যক্তি জীবন সংশোধন ও সুশৃঙ্খল করতে পারে ধর্মীয় জ্ঞান। আর কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিজীবন সংশোধন হলে সংশোধন হয়ে পারিবারিক ও সামাজিক জীবন। সুতরাং ধর্মীয় বিষয়ে নিজেদের মূর্খতা দূর করতে এ অবসর সময়টা কাজে লাগানো হবে উত্তম সিদ্ধান্ত।

Leave a comment

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: